কীভাবে র‍্যানসমওয়্যার থেকে মুক্ত থাকবেন?(!)

আমরা প্রায়শ ই এই র‍্যানসমওয়্যার এর সমস্যায় পরি!আজ লিখব কিভাবে তা প্রতিরোধ করা যায়! “প্রতিকার এর চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম!”

উইকিপিডিয়া অনুসারে, র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

র‍্যানসমওয়্যার আক্রান্ত হলে সিস্টেম এর সকল ফাইল অপরিচিত এক্সটেনশন এ রুপান্তরিত হয়ে যায়!! সেসব ফাইল রিকভার করা যায় না! ফাইলগুলো অফলাইন ও অনলাইন এনক্রিপটর দ্বারা এনক্রিপ্ট হয়ে যায়! তখন ওইসব হ্যাকার দের দেয়া তথ্য অনুসারে যোগাযোগ করে টাকা দিলে ফাইল ডিক্রিপ্ট করে দিতেও পারে নাও পারে!! বর্তমানে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এ র‍্যানসমওয়্যার এর আক্রমণ বেশি হয়!

 

কীভাবে ঘটেঃ যখন আমরা অপরিচিত সোর্স থেকে ফাইল ডাউনলোড দেই তখন ওই ফাইল টা রান করানোর জন্য সিস্টেম ফায়ারওয়াল ওই ফাইল টা স্ক্যান করে আমাদের নিরাপদে ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়! কিন্তু, আমরা পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করার জন্য ফাইল যাচাই না করেই উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল বা এন্টিভাইরাস এর রিয়েলটাইম প্রটেকশন অফ করে দেই!  এই সুযোগটাই নেয় হ্যাকার রা!!

 

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন র‍্যানসমওয়্যার  এর আক্রমন?

 

এর জন্য ভাইরাসটোটাল হলো একমাত্র সমাধান! ভাইরাসটোটাল এ ৩ টি সেকশন এর যথাক্রমে ফাইল,ইউআরএল,সার্চ অপশন ব্যবহার করে ভাইরাস স্ক্যান করতে পারবেন। প্রায় ৭৬ টা এন্টিভাইরাস দ্বারা ফাইল/ইউআরএল স্ক্যান করে ফলাফল দেয়!

 

র‍্যানসমওয়্যার

ফাইলঃ এই সেকশন এ শুধু ফাইল আপলোড করে স্ক্যান করতে পারবেন! সর্বোচ্চ ৫৫০ এম্বি সাইজের ফাইল আপ্লোড করা যায়! যদি আপনার কাঙ্খিত ফাইল আপনার আগে কেউ স্ক্যান করে থাকে তাহলে ফাইল হ্যাস চেক করে রেজাল্ট দেখাবে তখন আপনার ফাইল আপ্লোড হবার প্রয়োজন পরবে না! ফাইল টা কবে আপ্লোড করা হয়েছে সে তথ্য ও দেখা যাবে। ভাইরাসটোটাল ব্যাসিক তথ্যের মধ্যে নিম্নোক্ত তথ্য সর্বরাহ করেঃ

Basic Properties

ইউআরএলঃ এই সেকশন এ আপনি সরাসরি কোন ফাইল এর ডাউনলোড লিংক দিলে ফাইল ডাউনলোড হওয়া ছাড়াই ফাইল স্ক্যান করে ফলাফল দিবে!
সার্চঃ এই সেকশন এ কোন ইউআরএল,আইপি,ডোমেইন বা ফাইল হ্যাস স্ক্যান করতে পারবেন! ডোমেইন এর যাবতী তথ্য সেখানে দেখাবে!
সারসংক্ষেপঃ যেকোন ক্র্যাক ফাইল,সফটওয়ার ব্যবহার এর আগে ভাইরাস টোটাল দিয়ে স্ক্যান করে নিলে সেক্ষেত্রে র‍্যানসমওয়্যার থেকে মুক্ত থাকা যায়! এছাড়া, সেফ ব্রাউজিং এর জন্য বিভিন্ন এন্টিভাইরাস এর এক্সটেনশন/মডিউল ফ্রীতে পাওয়া যায়! সেসব এক্সটেনশন বা মডিউল এক্টিভ রেখে ব্রাউজ করলে অনেকটা নিরাপদ থাকা যায়!
এই খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন